রাত ৯টা ‘আয়না’সহ ওটিটিতে ‘মিশন ২০৪১- আমিই সল্যুশন’ টিভি শো’
ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণে বিভিন্ন খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সমন্বয়ে নির্মিত টেলিভিশন শো ‘মিশন ২০৪১: আমিই সল্যুশন’ আজ মঙ্গববার (৫ ডিসেম্বর) থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে শো-এর প্রথম পর্ব ‘স্মার্ট শিক্ষা’। নয়টায় আয়না, চরকি, টফি, বঙ্গ, আইস্ক্রিন, দীপ্তপ্লে ও সিনেম্যাটিকসহ বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে সাড়ে ৩৭ মিনিটের এপিসডটি।
এই পর্বে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে ২০৪১ সালের মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন আনা যেতে পারে এবং আমরা কীভাবে আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে প্রস্তুত করবো ভবিষ্যতের জন্য যেন তারা এই ডিজিটাইলেজেশনের সময়ে নিজেদেরকে এগিয়ে নিতে পারে। শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্বমানের কারিকুলাম এবং গবেষণার সুযোগ করে দেয়া যেন বিশ্বমঞ্চে তারা বাংলাদেশকে তুলে ধরতে পারে। এছাড়াও পর্বে উঠে এসেছে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের করণীয় দিকগুলো এবং তারা কীভাবে স্মার্ট শিক্ষার বিভিন্ন উদ্দ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্মার্ট শিক্ষাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। পর্বটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেরকে সুযোগ করে দেয়া এবং তাদের জন্য শিক্ষাকে আরো সহজ করে নিয়ে আসার ব্যাপারেও উঠে আসে। দেশে স্মার্ট শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্দ্যেশে বিভিন্ন স্কুলে নেয়া কার্যক্রমের একটি অংশ হিসেবে রাজশাহীর একটি স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদেরকে কীভাবে ব্লেন্ডেড শিক্ষা দেয়ার মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে তা দেখানো হয়। এছাড়াও এআই এর একটি বাস্তবিক ব্যবহার দেখানো হয় পর্বে শেষে যা আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
এছাড়াও এই পর্বে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজন হিসেবে টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়মান সাদিক, বিডি জবস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ. কে. এম. ফাহিম মাশরুর, চট্টগ্রামের বাগমনিরাম আবদুর রশীদ সিটি কর্পোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রুমিলা বড়ুয়া, ভিজ্যুয়ালি ইম্পেয়ার্ড পিপল’স সোসাইটির দক্ষতা উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, এআই ল্যাব বাংলাদেশের উদ্ভাবক এবং সিইও মুহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় দেশের এক উদ্ভাবনী স্কুলের গল্প তুলে ধরা হয়। একইসাথে দেশের শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবট তৈরির গল্প তুলে ধরা হয়।
উল্লেখ্য, এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া (এইচডিমিডিয়া) নির্মিত এই টিভি-শো চলতি মাসজুড়ে (ডিসেম্বর) বিটিভি, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন, চ্যানেল আই, একাত্তর টিভি ও দীপ্ত টিভি প্রচারিত হবে। পাশাপাশি চরকি, টফি, বঙ্গ, আইস্ক্রিন, দীপ্তপ্লে, সিনেম্যাটিক ও ড্রিমস্ট্রিমসহ বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ এটুআই-এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই শো প্রচারিত হবে।
প্রাথমিকভাবে আট পর্বে নির্মিত ব্যতিক্রমী এই টিভি শো-এর সঞ্চালনা করেছেন এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী। এটুআই-এর কালচার ও কমিউনিকেশনস-এর প্রধান পূরবী মতিন-এর পরিকল্পনা ও তানিম নূরের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে এই টিভি-শো।
এই টিভি-শো স্মার্ট শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, গ্রাম-শহর, সরকার, পরিবেশ ও বিনোদন-এমন ০৮ পর্বে নির্মিত হয়েছে। প্রতিটি পর্বে থাকছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের নানা সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের গল্প। একইসঙ্গে উদ্ভাবন-নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী ও অনুকরণীয় সম্ভাবনার দিক তুলে আনা হয়েছে পর্বগুলোতে। এছাড়াও খাতভিত্তিক নীতি-নির্ধারক, বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ও অংশীজনদের অংশগ্রহণে রাখা হয়েছে স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা। যেখানে আগামীর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলে তাদের অভিজ্ঞতা প্রসূত নানা চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং অগ্রযাত্রার নতুন দিক তুলে ধরেছেন। ৩৫ মিনিট ব্যাপ্তি বিশেষ এই টিভি-শো’তে ভবিষ্যত বাংলাদেশকে চিত্রায়িত করার জন্য হাই-রেজ্যুলেশন-টুডি এনিমেশনসহ মোশন গ্রাফিক্স ও টেক্সট অ্যানিমেশন ব্যবহার করা হয়েছে।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে টেলিভিশনের পর্দায় প্রচার শুরু হয়েছে।







